প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৪, ০৩:৪৯ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন উপজেলা সদর, বিজয়নগর ও নবীনগর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলা ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন অভিযোগে মোট ৩৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও মোট ৭৪ জনকে জরিমানা করেছে। আজ বুধবার (৫ জুন) ৪র্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর, নবীনগর ও বিজয়নগরে এ সব অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে বেশ কড়াকড়ি ভাবেই ভোট গ্রহণ করতে দেখা যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জাল ভোট প্রদান, ভোটার ও পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নেওয়া, সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করাসহ বিভিন্ন অপরাধ ঠেকাতে এ সব সাজা দেওয়া হয়। বিভিন্ন অপরাধে মোট ৭৪ জনকে জরিমানা করা হয় এবং প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জেসমিন সুলতানা এবং সদর, নবীনগর, বিজয়নগর উপজেলার রিটানিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানান, জেলা সদরে মোট ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন অপরাধে ৪২ জনের কাছ থেকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বিজয়নগর উপজেলায় ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও বিভিন্ন অপরাধে ১৮ জনের কাছ থেকে ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
নবীনগর উপজেলায় চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও ১৪ জনের কাছ থেকে বিভিন্ন অপরাদগে ৪২ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
এদিকে নবীনগরের উপজেলার কাঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহির উদ্দিন সিদ্দিকির সঙ্গে কেন্দ্রে বসে ভাত খাওয়া প্রিজাইডিং অফিসার এ কে এম রমজান আলীকে প্রত্যাহার করা হয়।
এ ছাড়া বিজয়নগর উপজেলা মহেশপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আটক পোলিং এজেন্টকে ছাড়াতে আসেন এক প্রার্থী তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোশাহেদ আলী তখন তাকে তল্লাশি করে দুই লাখ টাকা পাওয়া যায়। তাকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন